পুডিং তৈরির রেসিপি

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। আপনারা সবাই কেমন আছেন আশা করি ভালো আছেন। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছে। কিভাবে খুব সহজেই পুডিং তৈরি করা যায় আসলে অনেকেই পুডিং তৈরি করতে গেলে পুডিং নষ্ট হয়ে যায় পুডিং ভেঙ্গে যাই ডিমের গন্ধ আসে। এজন্য ভাবলাম আপনাদের সাথে আমার বানানো স্পেশাল পুডিং তৈরি রেসিপিটি শেয়ার করি।

তাহলে আসুন বন্ধুরা আর বেশি দেরি না করে আমরা সরাসরি রেসিপি চলে যায়। আমার প্রথমে দেখে নিবো পুডিং তৈরি করতে কি কি উপকরণ গুলো লাগবে।

পুডিং তৈরির উপকরণ

১.গরুর দুধ ১কেজি
২.চিনি স্বাদমতো
৩.ডিম ৩টি
৪. ভ্যানিলা এসেন্স বা লেবু

প্রণালী

প্রথমে একটি প্যানে ১ কেজি দুধ নিয়ে নিতে হবে। দুধে ফুটিয়ে নিতে হবে এবং প্রতিনিয়ত না আসার পড়তে হবে যাতে দুধ টি প্যানের সাথে লেগে না যায়।১কেজি দুধ আধা কেজিতে নিয়ে আসতে হবে এতে করে দুধ পাতলা থেকে ঘন হবে এতে করে পুডিং এর টেস্টে বেড়ে যাবে। এইজন্য দুধ টি প্যানে বসিয়ে প্রতিনিয়ত নাড়াচড়া করতে হবে।যতক্ষণ পর্যন্ত ১ কেজি দুধ আধা কেজি কেজিতে না আসে।আধা কেজিতে চলে আসলে দুধ টিকে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করতে হবে।

এরপরে আমাদেরকে কেরামেল তৈরি করতে হবে।কেরামেল তৈরি করতে একটি প্যানে ৪টেবিল পরিমাণ চিনি এবং ২ টেবিল পরিমাণে পানি নিয়ে নিতে হবে। এবং প্রতিনিয়ত নাড়াচাড়া করতে হবে আস্তে আস্তে চিনি এবং পানির মিশ্রণে চেঞ্জ হয়ে যাবে এবং ক্যারামেল তৈরি হয়ে যাবে। কালারটা চেঞ্জ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলতে হবে। এবং গরম গরম সে পাত্রের পুডিং তৈরি করবেন সে পাত্রে ঢেলে নিতে হবে।ক্যারামেলটিকে সেট হয়ে যাওয়ার জন্য পাশে কিছুক্ষণ রেখে দিব।

তারপরে একটি মিক্সিং বোল ৩টি ডিম নিয়ে নিতে হবে।এবং ডিম গুলোকে ভালোভাবে ভেঙে নিতে হবে। এরপরে দিতে হবে ভ্যানিলা এসেন্স এটি দিলে ডিমের যে একটা গন্ধ সেটি থাকবে না আপনাদের কাছে যদি এই ভেনিলা এ্যাসেন্স না থাকে তাহলে আপনারা লেবুর ব্যবহার করতে পারবেন। দিতে হবে হাফ কাপ পরিমাণে চিনি আপনাদের পছন্দমত দিতে পারেন। তারপরে একসঙ্গে মিক্সড করে নিতে হবে ভালো হবে চিনি মিশ্রণ হয়ে যায় দানা দানা যেন না থাকে। এরপরে ওই ফুটিয়ে রাখা হাফ কেজি ঠান্ডা দুধ ঢেলে দিতে হবে এবং ভালোভাবে মিক্স করে নিতে হবে। ভালোভাবে মিক্সড করা হয়ে গেলে ক্যারামেল এর বাটিতে ছাটনির সাহায্যে পুডিং এর মিশ্রণটি ঢেলে দিতে হবে। তারপরে বাটিটির ঢাকনা অফ করে দিতে হবে।

চুলায় পুডিং বানানোর নিয়ম

এরপরে একটি প্যানে উপরে কিচেন টাওয়াল বা পাতলা সুতি কাপড় বিছিয়ে দিতে পারেন। এতে করে তাপ সরাসরি বাটিতে লাগবেনা পুডিং নিচেটা কালো হয়ে যেতে পারে এজন্য আমরা একটি কাপড় ব্যবহার কর যাতে কালো যেন না হয়। এবার টাওয়ার টার উপরে পুডিং এর বাটিটা দিয়ে দিব এবং পানি দিয়ে দিব বাটি টির মাঝখান পর্যন্ত খুব বেশি পানি দেওয়া যাবে না। খুব বেশি পরিমাণে পানি দিয়ে দিলে এর মধ্যে পারেন এবং প্রোটিন নষ্ট হয়ে যেতে পারে অর্ধেক পরিমাণে পানি দিব। এরপরে প্যানটির ঢাকনা বন্ধ করে দিবো এবং চুলার তাপমাত্রা মিডিয়াম লো তে থাকবে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত। ২৫ মিনিট বা ৩০ মিনিট হয়ে গেলে প্যানের ঢাকনা খুলে পুডিং টি একটি কাঠির মাধ্যমে চেক করতে পারেন। কাঠির যে যদি ক্লিন আসে তাহলে বুঝতে হবে পুডিং টি হয়ে গেছে আর যদি আঠালো আঠালো ভাব থাকে তাহলে বুঝতে হবে আর ৫ মিনিট বা ১০ মিনিট সময় বেশি লাগতে পারে কারণ সব চুলার তাপমাত্রা একরকম হয় না । পুডিং কি হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে তারপরে ১ থেকে ২ ঘন্টার জন্য ফ্রিজে রেখে দিতে হবে তাহলে পুডিং টি ভালো হবে সেট হয়ে যাবে।১থেকে ২ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে নামিয়ে নিয়ে পুডিং এর চারপাশে ছুরি দিয়ে হালকা ভাবে কেটে নিতে হবে। এরপরে পুডিং এর বাটির উপরে একটি প্লেট দিয়ে হালকা করে উল্টো করে ফেলতে হবে এতে করে দেখা যাবে পুডিং টি প্লেটের উপরে চলে এসেছে। এরপরে কেটে পরিবেশন করুন।

আশা করি আপনাদের এই রেসিপিটা ভালো লাগবে। ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button