অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন 2024

আপনি যদি অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করে থাকেন এবং আপনার লাইসেন্সটি দেখবেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে বাংলাদেশ বিআরটিএর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের লিংকে ঢুকে ইউজার মেনুয়াল ডাউনলোড করে সেখানে আবেদন আছে কিনা সেটি দেখতে পারবেন।

আজকের আর্টিকেলটি আমি যারা ড্রাইভিং লাইসেন্স জন্য আবেদন করছেন বা অনলাইনে কিভাবে আবেদন করবেন সে ক্ষেত্রে সকল প্রকার তথ্য আমরা এখানেই প্রকাশ করব আশা করছি এখান থেকে আপনারা সকল ধরনের তথ্য জানতে পারবেন।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের সবচেয়ে মূল কথা লার্নার বা শিক্ষক নিবাস ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন পূর্ববর্তী সত্য হচ্ছে সর্বোচ্চ ১৫০ কিলো বি রেজিস্ট্রার কর্তৃক ডাক্তার সার্টিফিকেট সর্বোচ্চ ৬০০ কেবি মেডিকেল সার্টিফিকেট ফর্ম এর জন্য এসব বিস্তারিত জানতে নিচে আরো দেখুন।

সাধারণত আপনাকে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর এন আই ডি জন্ম তারিখ মোবাইল নাম্বার তারপর উপরের ডকুমেন্টগুলো যোগ করার পর আবেদন করবেন। আবেদন করতে ৩৪৫ টাকা বিকাশে পেমেন্ট প্রযোজ্য করবে তাই এ টাকাটি আপনি অনলাইনে পে করবেন

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে কতটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়? / অনলাইনে আবেদন করলেই কি হয়ে গেল?

প্রথম কথা আপনি যদি অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করেন তাহলে দ্বিতীয়ত লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে আপনাকে নির্ধারিত ভাই দিতে হবে এবং পরীক্ষা গুলো ডাইরেক লাইসেন্সে পাশ করার অপেক্ষায় করতে হবে। সে ক্ষেত্রে বিয়ে-টিয়ে অনেক দালাল আছে যারা অনেক মানুষের কাছে টাকা খেয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে থাকে। আপনি যদি অনলাইনে আবেদন করেন তাহলে আপনাকে পরীক্ষা ও ব্যবহারিক পরীক্ষা দিয়ে অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মতো অনুমতি দিতে হবে বা খুব শীঘ্রই পেয়ে যাবেন।

অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদন করার পদ্ধতি

  1. প্রথমে “bsp brta” লিখে গুগল করুন।
  2. Welcome to BRTA Service Portal তে ক্লিক করুন।
  3. Register মেন্যুতে ক্লিক করুন।
  4. জন্ম তারিখ ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করুন।
  5. অনুসন্ধান ক্লিক করলেই সমস্ত তথ্য এনআইডি থেকে চলে আসবে। মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দুবার দিয়ে নিবন্ধন করুন ক্লিক করুন।
  6. ইমেইলে লিংক দিয়ে ভেরিফিকেশন করে নিতে হবে। ইমেইলে ঢুকে Click  এ ক্লিক করে ভেরিফাই করে নিন।
  7. ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয়েছে ম্যাসেজ দেখতে পাবেন।
  8. ইমেইল বা ফোন নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Login এ ক্লিক করলে মোবাইলে ওটিপি আসবে এবং ওটিপি দিয়ে ভেরিফাই করে প্রফাইলে প্রবেশ করুন। পুনরায় লগিন করবেন এবং উপরের চিত্রের মত তথ্য দেখাবে।
  9. বামপাশ মেন্যু হতে ড্রাইভিং লাইসেন্স এ ক্লিক করে ট্যাবগুলো থেকে প্রথম শিক্ষানবিশ লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করুন এ ক্লিক করলে ইনস্ট্রাকশন দেখাবে সেখানে থেকে ডাক্তারী সার্টিফিকেটের ফরম সংগ্রহ করুন। মোট কথা ইনফরমেশনগুলো ভাল করে পড়ে ফাইলগুলো ঠিক ঠাকমত স্ক্যান করুন।
  10. যদি সব ডকুমেন্ট থাকে আমি সম্মত ক্লিক করলেই আবেদন পেইজ আসবে। ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে অপেশাদার সিলেক্ট করে ছবি আপলোড করবেন ফরম্যাট ঠিক রাখবেন।
  11. সেকশন এ তে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিবেন, জন্ম তারিখ দিবেন এবং অনুসন্ধান এ ক্লিক করলে সকল তথ্য এনআইডি’র বিপরীতে অটো চলে আসবে।
  12. ইংরেজীতে পিতা মাতার নাম, লিঙ্গ সিলেক্ট করবেন, স্বামী বা স্ত্রীর নাম (যদি থাকে), পেশা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বৈবাহিক অবস্থা, স্বামী স্ত্রীর নাম বাংলায়, রক্তের গ্রুপ, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা ইত্যাদি দিয়ে দিবেন।
  13. আবেদনকারীর যোগাযোগের বিবরণে মোবাইল নম্বর এবং জরুরী যোগাযোগের জন্য কারও নাম, মোবাইল নম্বর দিবেন এবং
  14. সেকশন বি-তে মোটর সাইকেল ধরণ, লাইট বা হেবী ইত্যাদি প্রয়োজন অনুসারে সিলেক্ট করবেন।
  15. সংযুক্তিতে সকল ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। যা আপনি স্ক্যান করে রেখেছেন। তারপর সংরক্ষণে ক্লিক করলে সংরক্ষণ হবে এবং নিচে অনলাইন ফি জমা’তে
  16. অনলাইন ফি জমাতে ক্লিক করলে আবেদন রিভিউ দেখতে পাবেন নিচে মোট ফি দেখাবে। ফি জমা দিলে ফি জমাতে ক্লিক করুন।
  17. তাদের সাথে যে কয়েকটি ব্যাংক রয়েছে তা দেখাবে। মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করুনে টিক দিন এবং বিকাশ, ডাচ বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ইত্যাদি মাধ্যমে অর্থ পরিবর্তন করতে পারবেন। ধরি বিকাশে দিবেন।
  18. বিকাশ সিলেক্ট করে নিচের টার্মস এন্ড কন্ডিশন নিশ্চিত করুন এবং বিকাশ গেইটওয়ে থেকে পেমেন্ট করুন এবং ওটিপি এবং পিন দিয়ে কনফার্ম করলে বিকাশ পেমেন্ট শেষ।
  19. পেমেন্ট হয়েছে এবং আবেদনটি সম্পন্ন হয়েছে এবং মানি রিসিপ্ট এবং লার্নারটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করতে পারবেন। লার্নার কার্ডে পরীক্ষার তারিখ এবং ইত্যাদি তথ্য থাকবে। এভাবেই ঘরে বসেই ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে পারেন।

অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করলে কি সত্যিই স্মার্ট কার্ড পাওয়া যায়

আপনার যদি কোশ্চেনটি আমাদের করেন তাহলে আমরা বলবো সত্যিই অনলাইনের মাধ্যমে এবং দালালমুক্ত আপনি খুব সহজেই ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা এবং ভাইবা পাশ করলে আপনাকে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে আপনাকে সঠিকভাবে অনলাইনে আবেদন করতে হবে এবং অপেক্ষা করতে হবে ভাইফা এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য।

পরিশেষে বলা যায় আমরা চেষ্টা করেছি আপনাকে অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড পাওয়ার সকল প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা জানাতে। আপনার যদি আরো কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না ধন্যবাদ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button