ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ও খরচ 2024

বর্তমান বাংলাদেশ এবং সমগ্র দেশে নতুন প্রক্রিয়া চালু হয়েছে আগের যেমন আমরা সাধারণ পাসপোর্ট করেছিলাম এখন বর্তমানে ইজ পাসপোর্ট এর মাধ্যমে ডিজেলাইজেশন করা হয়েছে। তাই এখন থেকে যারা পাসপোর্ট করে থাকবেন তারা ই পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। সে ক্ষেত্রে আপনি যদি ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ও খরচ সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে থেকে সম্পূর্ণ তথ্যগুলো জানতে পারবেন।

ই পাসপোর্ট আবেদন ক্ষেত্রে আপনি চাইলে নিজেই খুব সহজেই ঘরে বসেই একটি কম্পিউটার নিয়ে আবেদন করতে পারবেন সেক্ষেত্রে কিছু প্রক্রিয়া আপনাকে অনুসরণ করতে হবে। সকল পরকীয়া সম্পাদন করলে তবেই আপনি পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

প্রাথমিকভাবে আপনাকে স্থানীয় পাসপোর্ট অফিসে আবেদন সাবমিট করতে পারেন কিন্তু এতে কিছু সময় লাগতে পারে কিন্তু আপনি যদি অনলাইনে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে পারেন তাহলে কার্যটি খুব কম খরচে এবং তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।

ই পাসপোর্ট করার নিয়ম

এখন থেকে সরকারি ডিজেলেশন করার পর থেকে ই পাসপোর্ট করার অনেক সহজ পদ্ধতি হয়ে আছে এখন আপনি নিজে চাইলে ঘরে বসেই আবেদন করতে পারেন প্রথমে আপনাকে ই পাসপোর্ট অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পোর্টালে ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে হবে এবং অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন বাটনে ক্লিক করে আপনাকে পুরো ফর্মটি পূরণ করতে হবে।]

  • সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাষিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবি ও তাদের নির্ভরশীল স্ত্রী/স্বামী এবং সরকারি চাকুরীজীবিগণের ১৫ (পনের) বৎসরের কম বয়সের সন্তান, ৫ (পাঁচ)/১০ (দশ) বৎসরের অতিক্রান্ত, সমর্পণকৃত (সারেন্ডারড) দের জন্য একটি ফরম ও অন্যান্যদের ক্ষেত্রে নতুন পাসপোর্টের জন্য ২ (দুই) কপি পূরণকৃত পাসপোর্ট ফরম দাখিল করতে হবে।
  • অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৫ বছরের কম) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পিতা ও মাতার একটি করে রঙিন ছবি (৩০ x ২৫ মিঃমিঃ) আঠা দিয়ে লাগানোর পর সত্যায়ন করতে হবে।
  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক টেকনক্যাল সনদসমূহের (যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) সত্যায়িত ফটোকপি।
  • যে সকল ব্যক্তিগণ পাসপোর্টের আবেদনপত্র ও ছবি প্রত্যায়ন ও সত্যায়ন করতে পারবেন – সংসদ সদস্য, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলরগণ, গেজেটেড কর্মকর্তা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও পৌর কাউন্সিলরগণ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক, নোটারী পাবলিক ও আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাতীয় বেতন স্কেলের ৭ম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের গ্রেডের কর্মকর্তাগণ।
  • প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও (GO)/এনওসি(NOC) দাখিল করতে হবে।
  • কূটনৈতিক পাসপোর্ট লাভের যোগ্য আবেদনকারীগণকে পূরণকৃত ফরম ও সংযুক্তিসমূহ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে জমা দিতে হবে।
  • শিক্ষাগত বা চাকুরীসূত্রে প্রাপ্ত পদবীসমূহ (যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ডক্টর, পিএইচডি ইত্যাদি) নামের অংশ হিসেবে পরিগণিত হবে না। ফরমের ক্রমিক নং ৩ পূরনের ক্ষেত্রে, একাধিক অংশ থাকলে প্রতি অংশের মাঝখানে ১টি ঘর শূন্য রেখে পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর পিতা, মাতা, স্বামী/স্ত্রী মৃত হলেও তার/তাদের নামের পূর্বে ‘মৃত/মরহুম/Late’ লেখা যাবে না।

ই পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে

সাধারণত পাসপোর্ট করতে তিনটি মাধ্যমে আপনারা পাসপোর্ট করতে পারবেন তিনটি মাধ্যমের যথারীতি নিয়ম এবং সময় আলাদা আলাদা তাই তিনটি ডেলিভারি খরচ অনুযায়ী বাড়তে পারে। প্রথমত রেগুলার ১৫ দিনের মধ্যে আপনার পাসপোর্ট পাবেন এক্সপ্রেস পাসপোর্টটি আর দিন কারো দিবসের মধ্যে পেয়ে যাবেন এবং সুপার এক্সপ্রেস পাসপোর্টটি ২ কার্যক দিবসের মধ্যেই পাসপোর্ট ডেলিভারি পেতে পারেন।

Passport with 48 pages and 5 years validity

Regular delivery within 21 days: TK 4,025
Express delivery within 10 days: TK 6,325
Super Express delivery within 2 days: TK 8,625

Passport with 48 pages and 10 years validity

Regular delivery within 21 days: TK 5,750
Express delivery within 10 days: TK 8,050
Super Express delivery within 2 days: TK 10,350

Passport with 64 pages and 5 years validity

Regular delivery within 21 days: TK 6,325
Express delivery within 10 days: TK 8,625
Super Express delivery within 2 days: TK 12,075

Passport with 64 pages and 10 years validity

Regular delivery within 21 days: TK 8,050
Express delivery within 10 days: TK 10,350
Super Express delivery within 2 days: TK 13,800

ই পাসপোর্টে টাকা জমা কোথায় দিব

ই পাসপোর্ট করার পর আপনাকে অবশ্যই অনলাইনে আবেদন করার পর আপনাকে টাকা সরকারি যেকোনো ব্যাংকে আপনারা দিতে পারবেন এক্ষেত্রে অনেক ব্যাংক আছে যারা পাসপোর্ট এর টাকা জমা নেয় সে ক্ষেত্রে আপনি সোনালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, এছাড়া অনেক ব্যাংক আছে যারা পাসপোর্ট এর টাকা জমা নিয়ে থাকে।

ই পাসপোর্ট করতে কি কাগজপত্র লাগে

প্রথমত আপনাকে অনলাইন আবেদনটি করার পর সেই আবেদনের কপি প্রিন্ট করতে হবে এবং এক কপি সাইজের ছবি এখানে বসিয়ে এই আবেদন ফি এবং ব্যাংক জমা দেওয়ার রশিদ নিয়ে এবং প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়ে আপনাকে স্থানীয় পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে।

সুতরাং আশা করছি আমরা ই পাসপোর্ট সংক্রান্ত সকল তথ্য আপনাদের জানাতে পেরেছি এবং আপনারা বুঝতে পেরেছেন।যদি আপনাদের ই পাসপোর্ট নিয়ে আরো কোন তথ্য বা জানার আগ্রহ থাকলে সেটি অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না আমরা চেষ্টা করব আপনার কমেন্টের উত্তর দিয়ে আপনাকে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button